উৎসব ও ব্রত5 min মিনিটের পাঠ · 2026-06
মহাশিবরাত্রি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী আধ্যাত্মিক রাত্রি বলে গণ্য। এর তিথি ও অর্থ জানুন।
মহাশিবরাত্রি পড়ে মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে — অমাবস্যার আগের দিন। গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় তা সাধারণত ফেব্রুয়ারি বা মার্চে আসে।
প্রতি মাসেই একটি শিবরাত্রি আসে — প্রতিটি কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী — কিন্তু মাঘ মাসেরটিকে 'মহা' শিবরাত্রি বলা হয় এবং তা সবচেয়ে ব্যাপকভাবে পালিত।
ঐতিহ্য এই রাত্রির সঙ্গে বহু কাহিনি যুক্ত করে: শিব ও পার্বতীর বিবাহ, শিবের অগ্নিস্তম্ভ রূপে আবির্ভাব, এবং সমুদ্রমন্থনের সময় শিবের হলাহল বিষ কণ্ঠে ধারণ করে জগৎ রক্ষা — যার ফলে তিনি নীলকণ্ঠ নামে পরিচিত হন।
যোগ ঐতিহ্য এই রাত্রিকে এভাবে বর্ণনা করে যে এতে প্রকৃতির ঊর্ধ্বমুখী শক্তি সবচেয়ে প্রবল, তাই মেরুদণ্ড সোজা রেখে জাগরণ সাধনার পক্ষে বিশেষ ফলপ্রসূ।
প্রধান আচরণ উপবাস ও রাত্রিজাগরণ। শিবলিঙ্গে দুধ, জল, মধু, দই ও বেলপাতা দিয়ে অভিষেক করা হয়, এবং রাত্রির চার প্রহরে চারবার পূজা হয়।
'ॐ নমঃ শিবায়' জপ ও রুদ্রীপাঠ এই রাত্রির কেন্দ্রীয় অংশ। বেলপাতা শিবের সবচেয়ে প্রিয় বলে গণ্য এবং এর তিনটি পত্রককে ত্রিনয়ন বা ত্রিগুণের প্রতীক ধরা হয়।
মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে — সাধারণত ফেব্রুয়ারি বা মার্চে।
হ্যাঁ, প্রতিটি কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে; তবে মাঘ মাসেরটিকে 'মহা' শিবরাত্রি বলা হয়।
উপবাস, রাত্রিজাগরণ, শিবলিঙ্গে অভিষেক, বেলপাতা অর্পণ এবং 'ॐ নমঃ শিবায়' জপ।
পড়া এক জিনিস — এই নীতিগুলি নিজের জন্মকুণ্ডলীতে দেখা আরেক। কয়েক মুহূর্তে আপনার বিনামূল্যের, নির্ভুল বৈদিক কুণ্ডলী তৈরি করুন।
বিনামূল্যে কুণ্ডলী নিন →