কুণ্ডলীর মূল কথা5 min মিনিটের পাঠ · 2026-06
বৈদিক জ্যোতিষ নিরয়ন রাশিচক্র ব্যবহার করে, পাশ্চাত্য জ্যোতিষ সায়ন। এই পার্থক্যই দুই পদ্ধতিকে আলাদা করে।
সায়ন রাশিচক্র ঋতুর উপর ভিত্তি করে গড়া — মেষের শূন্য ডিগ্রি ধরা হয় বসন্তবিষুবের বিন্দুতে। নিরয়ন রাশিচক্র স্থির নক্ষত্রের উপর ভিত্তি করে — রাশিগুলি আকাশে যেখানে সত্যিই আছে, সেখানেই ধরা হয়।
বৈদিক জ্যোতিষ নিরয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে, পাশ্চাত্য জ্যোতিষ সায়ন। এই কারণেই একই জন্মতারিখে দুই পদ্ধতিতে ভিন্ন রাশি আসতে পারে।
পৃথিবীর অক্ষের ধীর দোলনের কারণে বসন্তবিষুব বিন্দু প্রতি বছর সামান্য সরে যায় — একে অয়নচলন বলে। ফলে দুই রাশিচক্রের মধ্যে ব্যবধান ক্রমশ বাড়ে; এই ব্যবধানকেই অয়নাংশ বলা হয়।
বর্তমানে অয়নাংশ প্রায় ২৪ ডিগ্রি। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় লাহিড়ী অয়নাংশ, যা ভারত সরকারও গ্রহণ করেছে।
প্রশ্নটি ঠিক 'কোনটি সঠিক' নয়, বরং 'কোনটি কী মাপছে'। সায়ন পদ্ধতি ঋতুচক্র ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ মাপে; নিরয়ন পদ্ধতি নক্ষত্রের প্রকৃত অবস্থান মাপে এবং ঘটনার সময় নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
বৈদিক জ্যোতিষের দশা ও গোচর পদ্ধতি নক্ষত্রের উপর দাঁড়িয়ে আছে, তাই নিরয়ন রাশিচক্র ছাড়া তা কাজ করে না। দুই পদ্ধতি মিশিয়ে ফেলা উচিত নয় — প্রতিটির নিজস্ব সম্পূর্ণ কাঠামো আছে।
নিরয়ন স্থির নক্ষত্রের ভিত্তিতে গণনা করে, সায়ন ঋতু তথা বসন্তবিষুবের ভিত্তিতে।
দুই রাশিচক্রের মধ্যেকার ব্যবধান — বর্তমানে প্রায় ২৪ ডিগ্রি। সবচেয়ে প্রচলিত হল লাহিড়ী অয়নাংশ।
অয়নাংশের কারণে; প্রায় ২৪ ডিগ্রির ব্যবধানে অনেকের সায়ন ও নিরয়ন রাশি এক ধাপ সরে যায়।
পড়া এক জিনিস — এই নীতিগুলি নিজের জন্মকুণ্ডলীতে দেখা আরেক। কয়েক মুহূর্তে আপনার বিনামূল্যের, নির্ভুল বৈদিক কুণ্ডলী তৈরি করুন।
বিনামূল্যে কুণ্ডলী নিন →