গুণ মিলন ও বিবাহ5 min মিনিটের পাঠ · 2026-06
মাঙ্গলিক অবস্থার মিলন ভয় ছাড়া ও সৎভাবে কীভাবে করবেন জানুন।
মাঙ্গলিক মিলনের প্রকৃত প্রশ্ন 'এই ব্যক্তি মাঙ্গলিক কি না' নয়, বরং 'এই কুণ্ডলীতে মঙ্গল সত্যিই কতটা প্রবল এবং অন্য কুণ্ডলী তাকে কীভাবে ভারসাম্যে আনে'।
মঙ্গল লগ্ন থেকে প্রথম, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম বা দ্বাদশ ভাবে থাকলে দোষ ধরা হয়। কোনও কোনও ঐতিহ্য চন্দ্র ও শুক্র থেকেও গণনা করে — তাই প্রথমে স্পষ্ট করা দরকার কোন পদ্ধতিতে গণনা হয়েছে।
মঙ্গল নিজের রাশিতে (মেষ, বৃশ্চিক) বা উচ্চরাশিতে (মকর) থাকলে দোষ অনেকটা কমে। বৃহস্পতির দৃষ্টি মঙ্গলের উপর থাকলেও তা নরম হয়। কিছু লগ্নের জন্য — যেমন মেষ, বৃশ্চিক, মকর, কর্কট ও সিংহ — পরিহারও নির্দেশিত।
বয়সের সঙ্গেও মঙ্গলের তীব্রতা কমে বলে ঐতিহ্য মনে করে, এবং ২৮ বছরের পরের বিবাহকে কম সংবেদনশীল ধরা হয়।
শাস্ত্রীয় নিয়ম স্পষ্ট: দুই কুণ্ডলীতেই মাঙ্গলিক অবস্থা থাকলে তা পরস্পরকে অনেকাংশে বাতিল করে। তাই মাঙ্গলিক-মাঙ্গলিক জুটি ঐতিহ্যগতভাবে স্বীকৃত সমাধান।
কেবল এক পক্ষে দোষ থাকলে দেখতে হয় তা সক্রিয় না পরিহৃত, এবং অন্য কুণ্ডলীতে মঙ্গল কেমন। সৎ জ্যোতিষী মাঙ্গলিক অবস্থাকে একা ধরে বিবাহ নাকচ করেন না — তিনি সপ্তম ভাব, নবাংশ, গুণ মিলন ও দশাক্রম মিলিয়েই সিদ্ধান্ত নেন।
হ্যাঁ — শাস্ত্র বলে দুই কুণ্ডলীতেই দোষ থাকলে তা পরস্পরকে অনেকাংশে বাতিল করে।
মঙ্গল স্বগৃহী বা উচ্চ হলে, বৃহস্পতির দৃষ্টিতে থাকলে, বা নির্দিষ্ট লগ্নের জন্য পরিহার প্রযোজ্য হলে।
না। সিদ্ধান্ত সপ্তম ভাব, নবাংশ, গুণ মিলন ও দশাক্রম — সম্পূর্ণ চিত্র দেখেই নেওয়া হয়।
পড়া এক জিনিস — এই নীতিগুলি নিজের জন্মকুণ্ডলীতে দেখা আরেক। কয়েক মুহূর্তে আপনার বিনামূল্যের, নির্ভুল বৈদিক কুণ্ডলী তৈরি করুন।
বিনামূল্যে কুণ্ডলী নিন →